Posts

R3 কিছু গভীর অনুভূতি।

আমার ভীষণ ইচ্ছে করে—শুধু আপনার পাশে একটুখানি সময় নীরবে বসে থাকি। আমি বহুবার নিজেকে নেড়েচেড়ে দেখেছি, পরীক্ষা করেছি—পছন্দের মানুষটি কাছে থাকলে, শুধু তার উপস্থিতিতেই বেঁচে থাকা যায়। অন্তত আমার কাছে তাই মনে হয়। আগে কখনো বলিনি কথাগুলো। হয়তো বলা খুব ভালোও নয়। কিন্তু সত্যিটা এই—আমার পছন্দের মানুষের সবকিছুই আমার ভালো লাগে। সত্যি বলতে, তার কোনো কিছুই আমার খারাপ লাগে না। এমনকি তার ত্রুটি-বিচ্যুতিও নয়। স্বাভাবিক চোখে যেগুলো অতিরঞ্জন মনে হতে পারে, আমার কাছে সেগুলোও মমতার অংশ। এই অনুভব নতুন নয়—শৈশব থেকেই এমন অনুভূতি বয়ে বেড়াচ্ছি। যেমন নবজাতকের সবকিছুই মায়ের কাছে অমৃতসম। মায়ের কোলে যেন আকাশ থেকে নামা এক টুকরো চাঁদ। সন্তানের উপস্থিতিটুকুই তার শান্তি, তার আনন্দের খোরাক। বড় হয়ে সে হয়তো মায়ের তেমন খোঁজখবর নেয় না—তবুও সন্তানের ছোট ছোট জিনিসগুলোও মা যত্নে আগলে রাখতে চায়। কারণ বিষয়টা যুক্তির নয়, হৃদয়ের। আমি কৃত্রিম কিছু বলছি না। যা এখন অনুভব করি এবং ভবিষ্যতেও রক্ষা করতে পারবো বলেই মনে করি—শুধু সেটুকুই বলছি। আপনি বলেছিলেন—আপনি আমাকে শারীরিক বা মানসিক কোনো প্রশান্তি দিতে পারবেন না, তাই ...

Raif R3

Image
 

'আপনি' কে নিয়ে আমার ভাবনা।

 https://youtu.be/-FT-5uFbwYU?si=sJURVWzF5gNrJbSD এভিডিওটাতে যেমন তার চেয়ে আরো গভীর।  আপনি আমার আপনি। 💛💐🤲

১২.০২.২৬ প্রথম ভোট ১৩ম নির্বাচন

Image
 দীর্ঘ সতেরো বছর পর এক উৎসবমুখর পরিবেশের মাধ্যমে মানুষ ভোট দিতে যাচ্ছে। ভোট দেওয়ার ইচ্ছা আমার কোন দিনও ছিলো না। প্রথম অভিজ্ঞতা হিসেবে দিলাম। এটাই হয়তো আমার জীবনের শেষ ভোট। 

আমাদের ঘর চলমান

Image
কীভাবে কি করবো মাথায় ধরছিলো না কিছুই। হাতে অল্প কিছু টাকা, দোকান ভাড়া দেওয়ার লাখ দুয়েক টাকা‌ পড়ে আছে ঘরে সেই কবে থেকে। এদিক সেদিক ধার দেনার জন্যও চাইছে অনেকেই।  আবার ঘর বাঁধটাও একেবারে জরুরী হইয়া পড়ছিলো। একটা মেহমান বা নিজের কেউ আসলে একদম খাস পর্দাটা মেন্টেন করতে পারবে না।  হাতে এই অল্প পুঁজি নিয়েই এদিক ওদিক শলা পরামর্শ করতে করতেই চলে গেলো মাস খানেক।  এদিকে বাড়ির জায়গা নিয়ে কিছু সমস্যা এটাও সমাধান হতে লেগে গেলো প্রায় এক মাস।  মনের ভেতর একটা ভয় পারবো কি ছাদ করে ঘরটা করতে?  আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করে দিলাম। এখন এ পর্যন্ত আছে। আল্লাহ চাহে তো শেষ হবে ইনশাআল্লাহ। আব্বা আম্মার অনেক কষ্ট হয়ে যাচ্ছে 😢  

10.02.26

Image
  নির্বাচন আগামী ১২ তারিখ। দলে দলে মানুষ ফিরছে নিজেদের গন্তব্যে। গত ১৭ বছর ভোট দিতে পারেনি তারা। বাঁধ ভাঙা ভীর। তাই ট্রেনের ছাদে করেই যেতে লাগলাম বাড়ি। 

আপনি।

Image